ফেনাডিন কিসের ওষুধ সঠিক তথ্য জানুন

ফেনাডিন কিসের ওষুধ বা ফেনাডিন কেন খায় এর উপকারিতা ও এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি রয়েছে সে সম্পর্কে অজানা সকল তথ্য দিয়ে আজকের আর্টিকেলটি সাজানো হয়েছে। এছাড়াও এই আর্টিকেল থেকে আপনি জানতে পারবেন ফেনাডিন ১২০ খাওয়ার নিয়ম এবং এর কাজ কি ও ওষুধের দাম কত।

ফেনাডিন কিসের ওষুধ

তাই আপনি যদি একজন স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হয়ে থাকেন এবং ফেনাডিনের সকল খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তবে এই পোস্টটি অবশ্যই আপনার জন্য। তাই আপনার কাছে অনুরোধ থাকবে এই আর্টিকেলটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়ুন অবশ্যই আপনি প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন এবং উপকৃত হবেন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ফেনাডিন কিসের ওষুধ সঠিক তথ্য জানুন 

ফেনাডিন কিসের ওষুধ 

ফেনাডিন কিসের ওষুধ বা ফেনাডিন ১২০ কেন খায় ফেনাডিন এর কাজ কি এটি কি শুধু ঠান্ডা লাগার ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়? এর জবাব হচ্ছে না। ফেনাডিন যে শুধু ঠান্ডার কাজ করে বিষয়টি এমন নয়। এর বাইরেও ফেনাডিন অনেক ভাবে কাজ করে থাকে ফেনাডিনের অজানা দিকগুলো নিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ফেনাডিন আসলে কি? ফেনাডিন হলো প্রমেথাজিন হাইড্রোক্লোরাইড নামের একটি অ্যান্টিহিস্টামিন। আর এই হিস্টামিন হচ্ছে আমাদের শরীরের তৈরি একটি রাসায়নিক পদার্থ আর এই রাসায়নিক পদার্থ হিস্টামিনই হচ্ছে আমাদের দেহে তৈরি হওয়া যত রকমের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বা অ্যালার্জি রয়েছে এর জন্য দায়ী। ফেনাডিন ১২০ এই হিস্টামিনের কার্যকারিতার পরিমানকে কমিয়ে এলার্জি বা চুলকানি, ঠান্ডা এবং অস্বস্তিকর রোগ থেকে আমাদেরকে বাঁচায়।

  • অ্যালার্জি কমাতেঃ মূলত ফেনাডিন এর কাজ হচ্ছে অ্যালার্জি এবং অ্যালার্জির সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন অসুখ নিরাময়ে এটি ব্যবহৃত হয়। অ্যালার্জি সম্পর্কিত বিভিন্ন অসুখ বা উপসর্গগুলো যেমন নাক দিয়ে পানি পড়া, অনবরত হাঁচি পড়া, ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানি তৈরি হওয়া ও চোখ চুলকানো বা চোখ দিয়ে পানি ঝরা। এই সকল সমস্যাগুলোতে ফেনাডিন বা ফেনাডিন ১২০ খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ফেনাডিন শরীরে হিস্টামিনের পরিমাণকে কমিয়ে এলার্জির সমস্যা সমাধানে কাজ করে থাকে। 
  • কাশি কমাতেঃ এছাড়াও আরো যে সকল ক্ষেত্রে ফেনাডিন ব্যবহার করা হয় যেমন কাশি কমাতে। ফেনাডিন কাশি নিরাময় কারী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে যদি এলার্জির কারণে তৈরি হয় তবে সেই কাশি কমাতে এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • বমি কমাতেঃ ভ্রমণকালে বমি বমি ভাব কমাতে ফেনাডিন বা ফেনাডিন ১২০ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেকেরই ট্রেনে বাসে বা প্লেনে চললে বমি বমি ভাব হয় যাকে বলা হয় মোশন সিকনেস। এই মোশন সিকনেস বা ভ্রমণকালে বমি বমি ভাব কমাতে বা এর থেকে মুক্তি পেতে ফেনাডিন ব্যবহার করা হয়।
  • ঘুমের সমস্যা দূর করতেঃ ফেনাডিনের একটি সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রি হচ্ছে এটি চোখে ঘুম এনে দেয়। তাই অনেক সময় ডাক্তাররা রোগীর অনিদ্রাভাবিক ঘুমের সমস্যা দূর করতে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন তবে আপনি উপরোক্ত যে সমস্যার কারণে ফেনাডিন ব্যবহার করেন না কেন তা যেন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ঔষুধ  ব্যবহার করবেন না।
  • গলা ব্যথা: যদি কারো ঠান্ডা জনিত কারণে গলা ব্যথা করে তবে ফেনাডিন গলা ব্যথা উপশমের জন্য খুব ভালো কাজ করে থাকে। 

ফেনাডিন খাওয়ার নিয়ম 

পূর্বেই বলে রাখি যেহেতু একটি প্রেসক্রিপশন ড্রাগ তাই সবচেয়ে ভালো পরামর্শ হচ্ছে যে একজন রেজিস্টার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এটি সেবন করা জরুরী। তবে ফেনাডিন খাওয়ার সাধারণ নিয়ম হচ্ছে ১২ বছরের বেশি বয়সের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৬০ মিলিগ্রাম করে দুইবার অথবা ১২০ মিলিগ্রাম কিংবা ১৮০ মিলিগ্রাম প্রতিদিন একবার করে খেতে পারবে। আর যদি কিডনির কার্যকারিতা কমে গিয়ে থাকে তবে ৬০ মিলিগ্রাম করে প্রতিদিন একবার।

যাদের বয়স ৬ থেকে ১১ বছর তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিদিন দুইবার ৩০ মিলিগ্রাম করে কিংবা ৬০ মিলিগ্রাম করে প্রতিদিন একবার। দুই থেকে ১১ বছর বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সাসপেনশন 30 মিলিগ্রাম অথবা ৫ মি.লি. প্রতিদিন দুইবার। ফেনাডিন ওষুধ খাবার আগে বা পরে যে কোন সময় খাওয়া যেতে পারে। তাই খালি পেটে বা খাবারের এক থেকে দুই ঘন্টা আগে পরে খেলেও কোন সমস্যা হবে না। 

তবে একটি পরামর্শ থাকবে যে অবশ্যই ফেনাডিন সেবনের পূর্বে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডোজ বা মাত্রা নির্ধারণ করে নিবেন। 

ফেনাডিন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

যে কোন ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকবে এটিই স্বাভাবিক বিষয়। তাই ফেনাডিনও এর ব্যতিক্রম কিছু নয় অর্থাৎ ফেনাডিন এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ফেনাডিন সেবনের কারণে নিম্নলিখিত কিছু সাধারন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে তা দেখা দিলেও খুব ক্ষণস্থায়ী বা অল্প সময়ের জন্য। তাই চলুন ফেনাডিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি কি রয়েছে তা জেনে নেওয়া যাক।

ফেনাডিন সেবনের কারণে নিম্নলিখিত কিছু সাধারন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে তা দেখা দিলেও খুব ক্ষণস্থায়ী বা অল্প সময়ের জন্য।
  • মাথা ব্যথা।
  • মাথা ঘোরা। 
  • পেট খারাপ বা ডায়রিয়া। 
  • পিঠে ব্যথা।
  • ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করা।
  • হাতে বা পায়ে ব্যথা অনুভব করা।
  • বমি বমি ভাব। 
  • তন্দ্রা বা ঘুমঘুম ভাব।
  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া। 
  • পেশী ব্যথা।
  • অতিরিক্ত হাঁচি পড়া।
উপরোক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো দেখা দিলে তার কিছুদিন পরে এমনিতেই সেরে যায়। কিন্তু এমন কিছু গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যেমন মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া ফুসকুড়ি, চুলকানি, মুখ, ঠোঁট বা গলা ফোলাভাব বা শ্বাসকষ্ট। এছাড়া যদি বুকে ব্যথা বা হৃদপিন্ডের গতি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় তবে খুব দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
ফেনাডিন কিসের ওষুধ

ফেনাডিন সিরাপ এর কাজ কি

fenadin syrup এর কাজ হচ্ছে এটি মূলত শিশু বা বাচ্চাদের ঠান্ডা সর্দি ও অ্যালার্জির ওষুধ হিসাবে কাজ করে থাকে। এছাড়াও আরো কি কি কাজে ফেনাডিন সিরাপ ব্যবহার করা হয় চলুন জেনে নেওয়া যাক। 
এটি মূলত হাঁচি, কাশি, নাক থেকে পানি পড়া, নাকের এলার্জি, গলায় চুলকানি এবং ত্বকের চুলকানি ও চোখ লাল হওয়া উপশম করতে এটি মূলত ব্যবহার হয়ে থাকে।

এটি ছয় মাসের শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সকল রোগীদের সিজনাল অ্যালার্জি সুমূহের উপসর্গকে দূর করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অ্যালার্জিক রায়নাইটিস যা ধুলাবালি, পোষা প্রাণীর লোম, ফুলের রেনু থেকে সৃষ্ট অ্যালার্জি নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো, ও চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে ফেনাডিন সিরাপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও কিছু নির্দিষ্ট খাবার ওষুধের কারণে চুলকানি শুরু হয় তখন চামড়ায় লালচে দাগ দেখা দেয় সেক্ষেত্রে fenadin syrup কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ফেনাডিন এর কাজ কি

ফেনাডিন মূলত ফেক্সোফিনাডিন নামক একটি অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধকে বুঝানো হয়। শরীরে উৎপন্ন হিস্টামিন নামক রাসায়নিক কে দমন করায় যার মূল কাজ। প্রাথমিকভাবে বলা যায় যে ফেনাডিনের কাজ হচ্ছে এটি আপনার দেহকে প্রাকৃতিক হিস্টামিন তৈরি করতে বাধা প্রদান করে। 

ফেনাডিনের আসল কাজ হচ্ছে অ্যালার্জি কমানো যেমন চোখ-নাক চুলকানো বা সুড়সুড় করা অথবা পানি ঝরা ইত্যাদি নিরাময়ের জন্য ফেনাডিন ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও এটি ত্বকের চুলকানি বা এলার্জির মত উপসর্গেও ব্যবহার করা হয়। আরটিকারিয়া বা হায়ভস এর কারণে উৎপন্ন চুলকানি কমাতে বা ত্বকে ফুসকুড়ি কমানোর ক্ষেত্রেও ফেনাডিন কাজ করে থাকে।

ফেনাডিন সিরাপ ফর বেবি

ফেনাডিন সিরাপ ফর বেবি হচ্ছে ফেনাডিন সাসপেনশন ৩০মিলি. যার জিনেরিক নাম হচ্ছে ফেক্সোফিনাডিন হাইড্রোক্লোরাইড। এটির এক বোতলে ৩০ মিলি. সাসপেনশন থাকে। এটি মূলত ছয় মাস থেকে দুই বছরের শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়। তবে অবশ্যই তা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মত ব্যবহার করতে হয় কারণ এটি একটি নিরাপদ এলার্জির ওষুধ হলেও বাচ্চার ওজন বয়স অনুযায়ী ডোজ দিতে হয়। ডোজ কম বেশি হলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই হাঁচি বা র‍্যাশ এর পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের দ্রুত পরামর্শ নিন।

ফেনাডিন সিরাপ ফর বেবি বা ফেনাডিন সাসপেনশন সিরাপ মূলত শিশুদের সিজনাল অ্যালার্জি, চোখ চুলকানো বা চোখ দিয়ে পানি ঝরা, হাঁচি বা নাক দিয়ে পানি পড়া ত্বকের অ্যালার্জি বা চুলকানি ইত্যাদি উপশমের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি সাধারণত শিশুদেরকে খাবার পর দেওয়া উত্তম যেন শিশুর পেটে কোন সমস্যা তৈরি না হয়। এটির ভুল ডোজের কারণে শিশুর ক্ষতি হতে পারে তাই ৬ মাস থেকে ২ বছরের বাচ্চার শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজ কেবলমাত্র শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেওয়ার জরুরী।

ফেনাডিন ১৮০ এর কাজ কি 

ফেক্সোফেনাডিন ১৮০ এর কাজ কি বা ফেনাডিন ১৮০ এর কাজ হচ্ছে একটি অতন্দ্রাচ্ছন্ন এন্টিহিস্টামিন হিসাবে চিন্তা করা হয়। কারণ এটি অন্যান্য এন্টিহিস্টামিন এর তুলনায় কম ঘুম ভাব নিয়ে আসে। এটি সিজনাল সর্দি, হাঁচি, চোখে নাকে পানি আসা, চুলকানি ইত্যাদি রোগের কার্যকর ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত তাদের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার করা হয় যাদের বার বার চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি বা দাগ উঠে একই সাথে চোখ চুলকানো চোখ দিয়ে বা নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে। 

এটি সাধারণত প্রতিদিন একবার খাওয়া যায় অথচ ২৪ ঘন্টা একবার এটি খাবার আগে বা পরে দুই ভাবেই খাওয়া যায় কিন্তু এটি জুসের সাথে না খাওয়াই উত্তম কারণ এভাবে জুসের সাথে খেলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। এটি কখনো ভেঙ্গে গুড়া করে অথবা চুষে খাওয়া যাবেনা। এই ওষুধটি গর্ভবতী বাগ দুগ্ধ দানকারী মায়েরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেবন করবেন এবং যাদের কিডনি জটিলতা রয়েছে তারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করবেন না। 

ফেনাডিন ব্যবহারে সতর্কতা

  • গর্ভাবস্থায়ঃ গর্ভকালীন বা গর্ভাবস্থায় ফেনাডিন সেবন করা উচিত নয়। তবে যদি খুবই জরুরী হয় তবে তা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা জরুরী।
  • স্তন্যদান কালেঃ শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও ফেনাডিন খাওয়া উচিত হবে না। তাই এক্ষেত্রেও যদি ফেনাডিন সেবন করতে হয় তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেবন করা জরুরী। 
  • লিভারের সমস্যা থাকলেঃ যদি কারো লিভারের সমস্যা থেকে থাকে তবে ফেনাডিন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা মোটেই উচিত হবে না এতে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। 
  • বৃক্ষ বা কিডনির সমস্যাঃ যদি কারো কিডনি বা বৃক্ষ জটিলতা বা সমস্যা থেকে থাকে তবে ফেনাডিন সেবন করা উচিত হবে না ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া। 
  • অন্যান্য ওষুধের সাথে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ ফেনাডিন অন্য কোন ওষুধের সাথে সেবন করার সময়ও পার্শপ্রতিকরা দেখা দিতে পারে। তাই অন্য কোন ওষুধ সেবন করার সময় ফেনাডিন ব্যবহার করার প্রয়োজন হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

দায়িত্ব অস্বীকারঃ দয়া করে মনে রাখবেন যে, ফেনাডিন কিসের ওষুধ সম্পর্কিত আর্টিকেলটিতে দেওয়া তথ্যগুলোকে শারীরিক চিকিৎসা বা পরামর্শ অথবা পরামর্শের প্রতিস্থাপন হিসাবে বিবেচনা করা উচিত নয়। ফেনাডিন বিষয়ক আর্টিকেলটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যর জন্য। আমরা এইভাবে প্রদত্ত তথ্যের যথার্থতা এবং সম্পূর্ণতার গ্যারান্টি দিচ্ছি না। তাই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তথ্য ব্যবহারজনিত কোন ক্ষয়-ক্ষতির জন্য লেখক বা ওয়েবসাইট কোনভাবেই দায়ী নয়।

শেষকথাঃ ফেনাডিন কিসের ওষুধ সঠিক তথ্য জানুন 

প্রিয় পাঠক, আজকের এই ব্লগ পোস্টে ফেনাডিন সম্পর্কিত যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। যে তথ্যগুলো দিয়েছি তা একজন স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হিসেবে আপনার জেনে রাখা খুবই জরুরী। ফেনাডিন সেবনের ফলে কিছু সল্পমাত্রার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তবে যদি মারাত্মক আকারের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে অবশ্যই খুব দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত হবে।

ফেনাডিন কিসের ওষুধ সম্পর্কিত আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব দের সাথে শেয়ার করবেন এবং কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং তা কমেন্টে জানাবেন তাহলে সংশোধনের জন্য খুব সহায়ক হবে ।








এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগ টু বাজারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abu Saleh
Md. Abu Saleh
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।