বাংলা আর্টিকেল লিখার নিয়ম ও ১০টি কার্যকরী উপায়

প্রিয় লেখক সমাজ, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি "বাংলা আর্টিকেল লিখার নিয়ম" বিষয়ক আজকের ব্লগে।অনেকেই লেখা-লেখি বিষয়টিকে খুব সহজ ভাবে দেখে কিন্তু আপনি যতটা সহজ ভাবছেন ঠিক ততোটা সহজ বিষয় নয়। কারন পাঠক কে বেঁধে রাখতে হবে আপনার লেখনির যাদু দিয়ে। একটির পর একটি চমক রাখতে হবে লেখালেখিতে । যেন পাঠক আপনার লেখা পড়তে বাধ্য হয়।

আর হ্যাঁ আপনাকে অবশ্যয় মাথায় রাখতে হবে যে, পাঠকের উদ্দেশ্যও যেন পূর্ণতা পায়। আবার একই সাথে পাঠকের চাহিদা মতো তথ্য বা সার্ভিস গুগলে সার্চ দেওয়ার সাথে সাথেই যেন আপনার দেওয়া তথ্য বা সার্ভিস প্রথমেই পাওয়া যায়। তাহলে বুঝতেই পারছেন বিষয়টি আসলেই কতটা সহজ বা কঠিন ? যাই হউক দুশ্চিন্তার কিছুই নেই কারন আজকে এমন কিছু কৌশল শেয়ার করতে চলেছি যা আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারকে সফলতার মুখ দেখাবে। 

পোস্ট সূচিপত্র : 

আর্টিকেল রাইটিং কি ?

আর্টিকেল হচ্ছে পত্রিকা, ম্যাগাজিন বা ব্লগে অথবা যে কোনো মাধ্যমে প্রকাশিত লেখা। এই লেখা যদি কোন অনলাইন প্লাটফর্মে প্রকাশিত হয় তখন তাকে আমরা ব্লগ বা আর্টিকেল বলি। আর্টিকেল রাইটিং মূলত কনটেন্ট রাইটিং এর একটি পার্ট। আমরা যখন কোন কিছু জানার জন্য বই ,পত্রিকা ,ম্যাগাজিন অথবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যে লেখা পড়ি বা দেখি সেগুলো হচ্ছে টেক্সট কনটেন্ট।  

এই টেক্সট কনটেন্ট টাই হচ্ছে আর্টিকেল আর কনটেন্ট লিখার পদ্ধতিই হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং। আশা করি আপনারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন ।

মানুষ কেন আর্টিকেল পড়ে ?

মানুষ মূলত জ্ঞানের সন্ধানে আর্টিকেল পড়ে । সহজভাবে বলতে অজানা কে জানার উদ্দেশে আর্টিকেল পড়তে আসে। যেমন কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা ,তথ্য নেওয়া ,আগ্রহের বিষয় সম্পর্কে জানা ,নতুন নতুন দক্ষতা শেখা অথবা গভীর ও তথ্যবহুল বিষয়ের উপর আকৃষ্ট হয়ে আর্টিকেল পড়ে।এছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ের সমস্যা সমাধান,বিনোদন,গল্প ,উপন্যাস পড়ার জন্যেও মানুষ আর্টিকেল পড়ে থাকে। 

এক কথায় অনলাইনে বা ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিষয়ের উপর অনেকগুলো তথ্য একসাথে পাওয়া যায় , যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চাহিদার খোরাক মেটায় এবং তার দ্বারা সমস্যার সমাধান করার জন্যই অনলাইনে বা ইন্টারনেটে আর্টিকেল পড়ে থাকে।    
  

আর্টিকেল কোথায় কোথায় লিখা যায় ?  

  • ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইটে : নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে আপনার লেখা বা আর্টিকেল প্রকাশ করতে পারেন । 
  • ব্লগ : বিভিন্ন ব্লগিং প্লাটফর্ম রয়েছে যেমন blogger.com , Wordpress.Com, Midium.Com ইত্যাদি জায়গায় আপনার আর্টিকেল লেখার সুযোগ রয়েছে । 
  • অনলাইন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান : এইরকম বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা আপনার লেখা অনলাইনে জমা নিয়ে প্রকাশ করে থেকে। যদি আপনি ভালো লেখেন তবে তারা আপনার লেখা অর্থের বিনিময়ে কিনে নিবে। 
  • সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম : বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম রয়েছে যেমন Linkedin ,twitter,facebook ইত্যাদি। এইসব মাধ্যমেও আপনার লিখা প্রকাশ করতে পারবেন। 
  • গেস্ট ব্লগিং : অন্যান্য জনপ্রিয় যে সব ব্লগিং ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে অতিথি লেখক হিসাবে ব্লগ লিখে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। 
  • ফ্রিল্যান্সিং : বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম যেমন fiverr, upwork, frelancer , guru ইত্যাদি। এইসব জায়গায় আপনার ক্লায়েন্ট বা বায়ারের জন্য আর্টিকেল লিখা জমা দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন ।
  • কন্টেট রাইটিং এজেন্সী : পেশাদার আর্টিকেল লেখার জন্য অনেক কন্টেট রাইটিং এজেন্সী রয়েছে যারা অর্থের বিনিময়ে আপনাকে হায়ার করতে পারে।

আর্টিকেল লেখার যোগ্যতাঃ 

আর্টিকেল লিখার জন্য অবশ্যয় আপনার ভাষা হতে হবে প্রাঞ্জল এবং সাবলীল এক কথাই শব্দচয়ন হবে সহজ। আপনি  যা বুঝতে চেয়েছেন তা যেন  আপনার পাঠক অল্প কথায় বুঝতে পারে এই রকম ভাষা ব্যবহার করতে হবে। যদি দুর্বোধ্য বা কঠিন ভাষার কারণে বুঝতেই না পারে তাহলে আপনি পাঠককে ধরে রাখতে পারবেন না। 

এই ক্ষেত্রে আপনার গ্রামাটিক্যাল বা ব্যাকরণগত জ্ঞান থাকা জরুরি। সঠিক বানান এবং উচ্চারণ  জানতে হবে। চেষ্টা করবেন এমন ভাবে লিখার যেন পাঠকের কাছে মনে হবে যে আপনি তার সাথে পাশাপাশি বসে  গল্প করছেন। 

আপনাকে চিন্তাশীল বা ভাবুক হতে হবে যেন আপনার লেখনির দ্বারা সমাজের আরও ১০ জনের উপকার হয়। একজন ভালো মানের আর্টিকেল রাইটার হতে চাইলে বেশি পরিমানে রিসার্চ করার মন মানসিকতা থাকতে হবে কারণ আপনি রিসার্চ করতে না পারলে কখনোই একজন  ইনফর্মেটিভ আর্টিকেল রাইটার হতে পারবেন না। 

আর্টিকেল লিখার সময় যে ভুল করা যাবে না :

  1. একই কথা বার বার লিখবেন না। 
  2. অপ্রয়জনীয় বা অপ্রাসংগিক কোনো কিছু লিখা যাবে না। 
  3. কোলাহলপূর্ন বা শব্দ হচ্ছে এমন স্থানে আর্টিকেল লিখতে বসবেন না। 
  4. কয়েক বারে আর্টিকেল লিখবেন না। অর্থাৎ একটি বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে গিয়ে কিছু অংশ লিখে উঠে গেলেন পরে ২/৩ ঘন্টা বা কয়েকদিন পরে আবার বাকি অংশ লিখলেন। এমনটা করবেন না। 
  5. আর্টিকেল লিখার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে বসবেন। 
  6. যথাসম্ভব কঠিন ও দুর্বোদ্ধ ভাষা ব্যবহার করবেন না। 
  7. অগোছালো ফন্ট , অযথায় বোল্ট করা বা অপ্রয়জনীয় ডিজাইন করা যাবে না।
  8. যে কোন সাইট বা অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে কন্টেন্ট কপি/পেস্ট করা যাবে না। 
  9. কারো লিখা বা কন্টেন্ট চুরি করা যাবে না। 
  10. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স (AI) থেকেও কপি পেস্ট করা যাবে না। 
  11. পোস্ট লিখে প্ল্যাগরিজম টেস্ট না করে  সরাসরি পাবলিশ করবেন না। 
  12. অনলাইন থেকে যে কোনো ছবি/ইমেজ বা ভিডিও সরাসরি আপলোড করা যাবে না। এক্ষেত্রে Creative Commons  Licenses এর গুলো ব্যবহার করা যাবে ।


আর্টিকেলের টপিক বা বিষয় নির্বাচনঃ 

সবার আগে আপনাকে ভেবে চিন্তে বের করতে হবে আপনি কোন বিষয়টি নিয়ে লেখা লেখি করতে চাইছেন । আপনাকে এমন একটি বিষয় নিয়ে লিখতে হবে যা আপনার টার্গেটেড পাঠকদের ধরে রাখবে এবং একইসাথে জনপ্রিয়তায় থাকবে তুঙ্গে। আপনাকে এমন বিষয়গুলো বেছে নিতে হবে যেগুলো সকল বয়সের এবং সকল শ্রেণী পেশার মানুষের প্রয়োজন হয়। 

অর্থাৎ সার্বজনীন বিষয় বেছে নিতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। মনে রাখবেন একটি সফল আর্টিকেলের মূল ভিত্তিই হচ্ছে সঠিক টপিক বা বিষয় নির্বাচন করা। আপনি কেন আর্টিকেল লিখছেন বা কাদের জন্য লিখেছেন অথবা যে টপিক নিয়ে লিখবেন বলে ভেবে রেখেছেন তা আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে ।

এরপর যখন আপনি সঠিক বিষয়টি পেয়ে যাবেন তখন যা করবেন

  • কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ব্যবহার : কিছু এক্সটেনশন বা কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি জানতে পারবেন মানুষ কোন বিষয়গুলো গুগলে বেশি বেশি সার্চ করছে। সার্চের মাসিক ভলিউম কেমন এবং উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে কতজন মানুষ লেখা - লেখি করছে বা সার্ভিস দিচ্ছে । এরকম কিছু কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস হচ্ছে যেমন Mangools.com , Keyword Sheeter, KW finder, Wordstream.com ইত্যাদি। 
  • গুগল ট্রেন্ডস : Google Trends ব্যবহার করে আপনি জানতে পারবেন বর্তমান সময়ে কোন বিষয়গুলো বেশি বেশি সার্চ হচ্ছে অর্থাৎ কোন বিষয়গুলো বর্তমানে ট্রেন্ডিং এ রয়েছে। আর ট্রেন্ডিং বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখে খুব সহজেই ট্রাফিক নিয়ে আসা সহজ হবে। 
  • গুগল সার্চ প্রেডিকশন : Google এ কোনো কিছু লিখে সার্চ করলেই নিচে কিছু সাজেশন আসে। এই সাজেশন গুলোই হচ্ছে মানুষের দ্বারা সার্চ করা প্রশ্ন। এখন থেকে আপনি একটি স্বচ্ছ ধারণা নিতে পারেন যে মানুষ কোন কোন বিষয় নিয়ে জানতে আগ্রহী। এই বিষয়গুলো নিয়ে আর্টিকেল লিখলে সফলতার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 
  • প্রতিযোগী বিশ্লেষণ : আপনি যে নিশ বা কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে চাইছেন সে একই নিশ বা কিওয়ার্ড নিয়ে বাকি ব্লগারদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং তাদের জনপ্রিয় পোস্টগুলো দেখুন। তারা কেমন পাঠকের রেসপন্স পাচ্ছে ? এসব বিশ্লেষণ করলেও সঠিক বিষয়ে আর্টিকেল লিখার ধারণা পাবেন। 
মনে রাখবেন আর্টিকেল লিখার নিয়ম শিখার ক্ষেত্রে সঠিক বিষয় বেছে নেওয়া  এবং কীওয়ার্ড রিসার্চ একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

বাংলা আর্টিকেল লিখার নিয়ম :

১। আকর্ষনীয় টাইটেল নির্বাচন করা : আপনার নির্বাচিত টাইটেলটি এমনভাবে সাজাতে হবে যেন পাঠক দেখা মাত্রই আকৃষ্ট হয় এবং ক্লিক করতে আগ্রহী হয়।  এক্ষেত্রে চেষ্টা করবেন টাইটেল বা শিরোনাম খুব ছোট বা বড় না হয়। টাইটেলকে লোভনীয় করার জন্য কিছু বাড়তি কথা জুড়ে দিতে পারেন যেমন: গোপন বা সহজ  অথবা আপনার ব্যাবসার সফলতা ১০/৫টি টিপস এই রকম কিছু । 

কিছু আকর্ষণীয় শব্দ এইরকম হতে পারে যেমন awesome, Incredible ,Great ,Instant ,Free ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করুন। টাইটেলে অযথা যে কোনো সিম্বল বা প্রতীক অথবা ডিজাইন না করে ভালো। চেষ্টা করবেন সংক্ষিপ্ত কিন্তু তথ্য বহুল টাইটেল ব্যবহার করার । 

২। ভূমিকা বা শিরোনাম যুক্ত করা : আর্টিকেলের শুরুতেই একটি ভূমিকা বা শিরোনাম যুক্ত করবেন।চেষ্টা করবেন নির্বাচিত বিষয়টি সম্পর্কে ভূমিকাতেই একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার যা থেকে পাঠক বুঝতে পারে আপনি তাকে কোন বিষয় নিয়ে বর্ণনা করতে যাচ্ছেন। 

পাঠককে  ভূমিকা বা শিরোনামেই কি বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছেন কেন পাঠককের জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ  এবং প্রয়োজনীয় সে বিষয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন ভূমিকা আবার বেশি বড় না হয়ে যায়। 

৩। প্যারাগ্রাফ আকারে লিখা : লিখার সময় শুধু একটানে লিখেই যাবেন না। লম্বা বা দীর্ঘ লিখাকে ছোট ছোট প্যারা আকারে লিখবেন। এতে লিখা দেখতেও ভালো লাগবে এবং পাঠকও সহজেই পড়তে ও বুঝতে পারবে। প্রতিটি প্যারাগ্রাফে একটি করে পয়েন্ট তুলে ধরুন এবং তা বাখ্যা-বিশ্লেষণ করুন । 

৪। তথ্য অন্তর্ভুক্ত করুন : এই পর্যায়ে কোনো আজে -বাজে কথা না লিখে সারাসরি  প্রাসঙ্গিক কথা লিখুন। দরকারি তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করুন। যে সোর্স থেকে তথ্যটি পেয়েছেন তা রেফারেন্স হিসাবে দিয়ে দিন। এতে আপনার লিখার প্রতি পাঠকের আস্থা বাড়বে। 

তথ্যগুলো সংগঠিত করে এমন ভাবে উপস্থাপন করুন যাতে করে পাঠক সহজেই বুঝতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বা ডাটা কালেক্ট করতে পারে।  
৫। নাম্বার ও বুলেট পয়েন্টের ব্যবহার : বিভিন্ন তথ্য গুলোকে সহজে উপস্থাপন করার জন্য নাম্বার বা বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করুন। এতে আপনার লেখার সৌন্দর্য বেড়ে যাবে কয়েকগুন আর সাথে সাথে অপ্রয়জনীয় কথা গুলো ব্যাড দেওয়া যাবে। 

৬। ফিচার ইমেজ ব্যবহার : আপনার আর্টিকেলের সৌন্দর্য বৃদ্ধির মূল উপাদানই হচ্ছে ফিচার ইমেজ। ফিচার ইমেজ অবশ্যই প্রাসঙ্গিক ও হাই কোয়ালিটিফুল হতে হবে। মনে রাখবেন ফিচার ইমেজও কিন্তু পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।  

৭। আর্টিকেল সঠিকভাবে ফরমেটিং করা : আর্টিকেল লিখা শেষ করে তা অগোছালো বা এবড়ো থেবড়ো করে রাখা যাবে না। আর্টিকেল সঠিকভাবে ফরমেটিং না করলে পাঠক আপনার আর্টিকেলের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। কারণ কথায় আছে মানুষ আগে দর্শনধারী পরে গুন বিচারী। তাই সবগুলো একই ফরমেটে রাখবেন। 

৮। উপসংহার যুক্ত করা : আর্টিকেল লেখা শেষ করে একটি সুন্দর  উপসংহার যুক্ত করে দিন। এমনভাবে উপসংহারটি দিন যেন সমস্ত বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরা যায়। এমনকি এখানে আপনি লেখক হিসাবে লিখিত বিষয়ের উপর আপনার মতামত বা ওপিনিয়ন কি তা উল্লেখ করুন।  পাঠক এই ব্যাপারটি আপনার কাছে আশা করে থাকে। তাই নিজস্ব মতামত দিতে কার্পণ্য করবেন না। 

উপসংহারঃ 

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বাংলা আর্টিকেল লিখার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। আমার মতে উপরোক্ত গাইডলাইন ফলো করে আর্টিকেল লিখা হলে গুগলে রাঙ্ক ধরে রাখা এবং আর্টিকেলের ভিতরে পাঠককে ধরে রাখা দুটোই সম্ভব হবে। আর এই দুটি বিষয়কে ধরে রাখতে পারলেই  আমরা সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবো। 

পরিশেষে এতটুকুই বলবো যে , আশা করি আজকের এই পোস্ট টি আপনাদের ভালো লেগেছে এবং যারা নতুন ব্লগার হিসাবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে চাইছে তাদের জন্য পোস্টটি মাইলফলক হিসাবে কাজে দিবে । আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা পোস্ট টি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করবেন । 






এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগ টু বাজারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abu Saleh
Md. Abu Saleh
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।