ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি
ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি ও এটি কোন কোন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় এবং ডাক্তার কেন এই ফ্যাসিড ক্রিমের ব্যবহারে পরামর্শ দেন এছাড়াও এই ক্রিমটি কিভাবে ব্যবহার করবেন? কোথায় পাবেন এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে কিনা সবকিছু মিলিয়ে আজকের এই আর্টিকেলটিতে ফ্যাসিড ক্রিম সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত তথ্য দেব।
এছাড়াও আজকের আর্টিকেলটিতে আপনারা জানতে পারবেন ফ্যাসিড বিটি ক্রিম এর কাজ কি এবং ফ্যাসিড এইচসি ক্রিম সম্পর্কেও থাকছে বিস্তারিত তথ্য। সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পেতে এবং ফ্যাসিড ক্রিম সম্পর্কে আপনার মনের অজানা উত্তর পেতে আর্টিকেলটি ধৈর্য সহকারে পড়তে থাকুন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি
ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি
ফ্যাসিড ক্রিম মূলত একটি অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম এটি শরীরের বাক্টেরিয়া
জনিত সংক্রমণ ও এর দ্বারা তৈরি হওয়া প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ত্বকের
সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে ফ্যাসিড ক্রিম কার্যকারী ভূমিকা পালন করে।
ফ্যাসিড ক্রিম এর মূল উপাদান হচ্ছে ফিউসিক এসিড। এছাড়াও ফ্যাসিড ক্রিম কি
কি কাজে ব্যবহার করা হয় নিচে উল্লেখ করা হলো।
- ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কারণে তৈরি হওয়া ফোঁড়া ও ঘাঁ এর জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এছাড়াও ফোঁড়া ও ঘা দ্রুত শুকাতে এবং নিরাময় করতেও সাহায্য করে।
- ত্বকের বিভিন্ন কারনে সৃষ্টি হওয়া ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ দূর করে। ফ্যাসিড ক্রিম ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ কার্যক্রমকে মন্থর করে বা ব্যাহত করে যার ফলে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি কমে যায় এবং তারা মারা যায়।.
- ক্ষতস্থানকে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ হতে পরিষ্কার করে ক্ষতস্থান দ্রুত নিরাময়ের সাহায্য করে।
- ত্বকের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের কারণে লালচে ভাব তৈরী হওয়া বা ফোলা ভাব এবং প্রদাহ কমায়।
- ত্বকের যেকোনো ছোটখাটো আঁচড় বা আঘাত অথবা কেটে যাওয়ার কারণে উক্ত স্থানগুলোতে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে। তাই ঐ সকল স্থানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে ফ্যাসিড ক্রিম ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- অনেক সময় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে ত্বকে চুলকানি তৈরি হতে পারে। তখন ফ্যাসিড ক্রিম এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে প্রতিরোধের মাধ্যমে চুলকানি নিরাময় করে।
- একজিমা চিকিৎসায় ফ্যাসিড ক্রীম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে তা একজিমার মূল চিকিৎসায় নয় বরং এটির সংক্রমণের চিকিৎসা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একজিমা মূলত সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফ্যাসিড ক্রিম তখন সেই সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
আরো পড়ুনঃ Atoz premium খেলে কি মোটা হয়
ফ্যাসিড ক্রিম এর ব্যবহার বিধি
আশা করা যায় উপরের বর্ণনা দ্বারা ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি তা আপনারা বুঝতে
পেরেছেন। এই ক্রিম ব্যবহারের কিছু সাধারণ নিয়ম রয়েছে যা আপনি যথাযথভাবে
অনুসরণ করলে সর্বোচ্চ ভালো ফলাফল পাবেন। আচরণ জেনে নেওয়া যাক এ ক্রিম
ব্যবহারের কিছু সাধারণ বিধি নিষেধ।
- ফ্যাসিড ক্রিম ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই আপনার দুই হাত ভালোভাবে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
- আক্রান্ত স্থানে ক্রিম লাগানোর পূর্বে অবশ্যই আক্রান্ত স্থানটিকে পরিষ্কার করে নিন এবং শুকিয়ে নিন।
- এরপর আঙ্গুলের ডগায় পরিমাণমতো ফ্যাসিড ক্রিম নিয়ে আক্রান্ত স্থানটিতে প্রয়োগ করুন। ক্রিমটি আক্রান্ত স্থানে আলতো ভাবে লাগান এবং একটি পাতলা স্তর তৈরি করুন।
- খেয়াল রাখবেন আক্রান্ত স্থানে বেশি পরিমাণে ক্রিম লাগানো না হয়। বেশি পরিমাণে ক্রিম দিলে এর কার্যকারিতা বাড়বে না বরং ক্রিমের অপচয় হবে।
ফ্যাসিড ক্রিম এর দাম
ফ্যাসিড ক্রিম বাজারে পাওয়া খুবই সহজলভ্য একটি ক্রিম। এটি আপনি যেকোন
ফার্মেসির দোকানে অথবা আপনার বাড়ির আশেপাশে বাজারে খুব সহজে কিনতে পারবেন। এই
ক্রিমটি sk + f কোম্পানী উৎপাদন এবং বাজারজাত করে থাকেন। এটি একটি টিউব আকারে
বাজারজাত করা হয়ে থাকে প্রতিটি টিউবে ১৫ গ্রাম করে এই ক্রিমটি থাকে। ১৫ গ্রাম
টিউবের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
এখানে উল্লেখিত মূল্যটি হচ্ছে বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য তবে বিভিন্ন
ফার্মেসী বা অনলাইন স্টোরে ডিসকাউন্ট এর কারণে দাম সামান্য কমতে পারে। এই দাম
যে কোন সময় কোম্পানি পরিবর্তন করতে পারে তাই দাম পরিবর্তন হলে আপনি উল্লেখিত
দামে ক্রিমটি নাও পেতে পারেন। অবশ্য মনে রাখবেন এসিড ক্রিম একটি এন্টিবায়োটিক
তাই এটি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।
আরো পড়ুনঃ
পেভিসন ক্রিম কিসের কাজ করে
ফ্যাসিড ক্রিম এর উপকারিতা
প্রিয় পাঠক, আমরা মোটামুটি একটি বিষয় অবগত যে ফ্যাসিড ক্রিম
ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ফ্যাসিড ক্রিমের
যে সকল উপকারিতা রয়েছে চলুন এক পলকে তা জেনে নেই। এই ক্রিম ডাক্তারেরা কেন
আপনাকে ব্যবহারে পরামর্শ দিয়ে থাকেন তা এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে মোটামুটি
একটি ধারণা পেয়ে যাবেন।
- ফ্যাসিড ক্রিম ক্ষতস্থান নিরাময় করে।
- এটি ফোঁড়া এবং ঘায়ের জীবাণু বিনাশ করে।
- একজিমার ক্ষেত্রে এটি উপশমকারী মলম হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- সংক্রমনের কারণে তৈরি হওয়া ফোসকা এই ক্রিমের দ্বারা শুকায়।
- এই ক্রিম ত্বকের ব্যাটরিয়াল সংক্রমণ থেকে মুক্তি দেয়।
- এ ক্রিম ব্যাকটেরিয়া হতে তৈরি হওয়া চুলকানি দূর করে।
- ত্বক ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের কারণে ভুলে গেলে ফোলা ভাব কমাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ত্বকের অল্প পরিমাণ কাটা ছেড়ার কারণে তা যদি ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সংক্রমিত হয় তবে তা প্রতিরোধ করে।
ফ্যাসিড ক্রিম এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ফ্যাসিড ক্রিম ব্যবহারের ফলে যে সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো দেখা দিতে
পারে তার মধ্যে রয়েছে বমি ভাব বমি হওয়া পেটে ব্যথা মাথা ব্যথা বা মাথা ঘোরা
চুলকানি ফুসকুড়ি ডায়রিয়ার মত সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
ফ্যাসিড ক্রিম দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করা ফলে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া বা
লোমকূপের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আবার এটি যদি আপনি মুখমন্ডলে ব্যবহার করেন তবে ব্রন বা পেরিওনাল ডার্মাটাইটিস
হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এছাড়াও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি এলার্জিক
প্রতিক্রিয়া, মাথা ব্যাথা বা ত্বকে ফুসকুড়িও দেখা দিতে পারে। তবে এই সকল
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব গুরুতর হলে অর্থাৎ খুব বেশি হয়ে গেলে অবশ্যই একজন
রেজিস্টার্ড ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া জরুরী।
ফ্যাসিড এইচ সি ক্রিম এর কাজ কি
ফ্যাসিড এইচ সি ক্রিম এর দুটি সক্রিয় উপাদান রয়েছে যার মধ্যে একটি হচ্ছে
ফুসিডিক এসিড যা ২% এবং অপরটি হচ্ছে হাইড্রোকটিসন এসিটেট যা ১% বিদ্যমান
রয়েছে। ফ্যাসিড এইচ সি ক্রিম এর কাজ কি এর উত্তর বলতে হয় এটি মূলত প্রাথমিক
জ্বালাময়ী ডার্মাটাইটিস, সেবোরোইক ডার্মাটাইটিস, কন্ট্রাক্ট এলার্জিক
ডার্মাটাইটিস এবং একজিমার মত সংক্রমনের উপশমকারী হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে
উল্লেখিত চর্মরোগ গুলোর ক্ষেত্রে যেখানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ইতিমধ্যে
উপস্থিত রয়েছে বা হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেসব ক্ষেত্রেই মূলত ফ্যাসিড এইচ
সি ক্রিম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ফ্যাসিড এইচসি ক্রিম এর মাত্রা বা সেবন বিধি হচ্ছে যে এই ক্রিমটি প্রতিদিন
আক্রান্ত স্থানে প্রতিদিন ৩ বার ব্যবহার করা উচিত এবং ২ সপ্তাহের জন্য আক্রান্ত
স্থানে আলতোভাবে মেসেজ করা উচিত। ফ্যাসিড এইচ সি ক্রিম এর সর্বোচ্চ খুচরা
মূল্য বাজারে ১২৫ টাকা যা একটি টিউবে ১০ গ্রাম এর মতো থাকে। ফ্যাসিড এইচসি
ক্রিমে স্টেরয়েডের উপাদান তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী হয়ে থাকে যার কারণে এটি
সাধারণত মুখ বা সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী হতে পারে।
ফ্যাসিড এইচ সি ক্রিম সাধারণত তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সুপারিশ করা হয়
না। আরেকটি বিষয় মনে করে দিতে চাই যেহেতু এই ক্রিমটা এন্টিবায়োটিক এবং
স্টেরয়েডের সংমিশ্রণে তৈরি তাই অবশ্যই একজন রেজিস্টার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে
এটি ব্যবহার করা জরুরী।
ফ্যাসিড বিটি ক্রিম এর কাজ কি
ফ্যাসিড বিটি ক্রিমে রয়েছে ফুসিডিক এসিড ও বিটামিথাসন। ইনফ্লামেটরি
ডার্মাটাইটিস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয় বা আক্রান্ত হতে পারে এসব
ক্ষেত্রে ফুসিডিক অ্যাসিড এবং বিটামিথাসন ক্রিম ব্যবহার করা হয়ে থাকে অর্থাৎ
ফ্যাসিড বিটি ক্রিমটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি ত্বকের প্রদাহ, লালচে ভাব, ও
চুলকানিকে কমায় এবং এসবের সংক্রমণকে প্রতিরোধ করে থাকে।
এছাড়াও এটি বিভিন্ন চর্ম রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এই ক্রিমে উপস্থিত
থাকা ফুসিডিক এসিড উপাদানটি বিভিন্ন প্রকারের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে
প্রতিহত করে এবং সংক্রমণ হতে মুক্তি দেয়। এটি একটি এন্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড
ওষুধ তাই এর ব্যবহার সম্পর্কে অবশ্যই চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরী তাই
একজন রেজিস্টার চিকিৎসকের পরামর্শ মতে ব্যবহার করবেন।
ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি bangla
ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ সম্পর্কে মোটা দাগে বলা যায় যে, এটি ত্বকে তৈরী হওয়া
ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে। ফ্যাসিড ক্রিম হচ্ছে
এন্টিবায়োটিক ক্রিম এর প্রধান কাজই হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে উপশম করা।
এই ক্রিমটি ত্বকের সংক্রমন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে রোধ করে। এই
ক্রিমে হাইড্রোকর্টিসন নামের একটি স্টেরয়েড থাকে যা আপনার ত্বকের প্রদাহ কমাতে
কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
এছাড়াও এই ক্রিম যে সব কারনে ব্যবহার করা হয় তা হচ্ছে ফোঁড়া, ফুলে যাওয়া,
এবং অন্যান্য সংক্রমিত ক্ষত বা পোড়ার পরে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা, ইমপেটিগো এবং
ভ্যারিকেজ আলসার ইত্যাদির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা বেশ ফলদায়ক। ক্রিমটি বাসায়
কিনে নিয়ে আসার পরে অবশ্যই আলো এবং আদ্রতা থেকে দূরে রাখবেন। ৩০ ডিগ্রি
সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে সংরক্ষণ করবেন। যেকোনো প্রকারের ওষুধ শিশুদের
নাগালের বাইরে রাখুন।
প্রিয় পাঠক, এখানে উল্লেখ্য যে এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য প্রদান করার জন্য। এটি কোন ওষুধ বা চিকিৎসার অংশ নয়। তাই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তথ্য ব্যবহার জনিত কোন ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক বা ওয়েবসাইট কোনভাবেই দায়ী থাকবে না।
শেষকথাঃ ফ্যাসিড ক্রিম এর কাজ কি
ফ্যাসিড ক্রিম সম্পর্কিত আর্টিকেলটিতে ফ্যাসিড ক্রিম নিয়ে বিস্তারিত সঠিক তথ্য
তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করছি একজন স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হিসেবে
আর্টিকেলটি আপনার উপকারে আসবে। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন আপনি যদি ফ্যাসিড ক্রিম
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করেন তবে আপনি নিরাপদ থাকবেন এবং অবশ্যই এটি
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই ব্যবহার করা উচিত।
প্রিয় পাঠক আমাদের এই আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই আপনার
পরিচিত বন্ধুবান্ধব দের সাথে শেয়ার করবেন এবং এরকম গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে
নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। আমারদের লিখা আর্টিকেল নিয়ে কোন
প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্টস করে জানাবেন।



ব্লগ টু বাজারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url