চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা

চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা সম্পর্কিত আজকের এই ব্লগে আপনাকে স্বাগত। আপনি জানেন কি নাপিতকে কি বলে ডাকা হয়? নরসুন্দর বলে ডাকা হয়। আপনি হয়তো ভাবছেন চুলের সাথে আবার নাপিত বা নরসুন্দরের কি সম্পর্ক ! তবে বলছি কি সম্পর্ক রয়েছে। যার চুল সুন্দর , সেই হচ্ছে প্রকৃত সুন্দর।যেহেতু নাপিত মানুষের চুলকে কেটে ছেঁটে সুন্দর করে দেয়, তাই নাপিতকে বলা হয় নরসুন্দর। তবে কেটে ছেঁটে সুন্দর করার আগে আপনার চুল হতে হবে সুন্দর।প্রতিদিনের ধূলো বালি ময়লা আর আয়রন যুক্ত পানি দিয়ে গোসল আপনার চুলের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে। চুল হয়ে যাচ্ছে রুক্ষ -শুস্ক , চুলের আগা ফেটে অকালেই ঝরে পড়ছে আর আপনি হারাচ্ছেন সৌন্দর্য। 

আসলে আপনারা প্রত্যেকেই চান আপনার চুল যেন ঘন কালো লম্বা হয় ,কিন্তু চাইলেই তো আর সবকিছু হবে না।এর জন্য প্রয়োজন কিছু বাড়তি যত্ন।তাই আজকের এই ব্লগে আপনাদের জন্য থাকছে এমন কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস যা আপনার চুলকে করবে ঘন, কালো, লম্বা এবং ঝলমলে।

পোস্টের সূচিপত্রঃ চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা    


চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা 

চুলের যত্নে ত্রিফলার ব্যবহারের সুবিধা হচ্ছে আপনার মাথার ত্বককে করে পুষ্ট এবং খুশকি কে দূর করে। একই সাথে চুল পড়া কমিয়ে উজ্জ্বলতাকে ফিরিয়ে আনে এবং চুলের গোড়াকে শক্ত করে তুলে।
  • রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গোড়া মজবুত করেঃ ত্রিফলার সক্রিয় উপাদান মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালনকে বাড়িয়ে দেয়।এতে হেয়ার ফলিকলে পর্যাপ্ত পুষ্টি পায়। যার ফলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। 
  • প্রাকৃতিক আদ্রতাকে ধরে রাখেঃ ত্রিফলা চুলের আদ্রতা কে ধরে রাখে ফলে চুল শুষ্ক বা ভঙ্গুর হয় না। ত্রিফলা চুলকে কোমল,মসৃণ ও উজ্জ্বল করে।
  • মাথার ত্বক ও চুল পরিষ্কার রাখেঃ ত্রিফলার তিনটি ফল আমলকি হরিতকি ও বয়ড়া যা চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্পের ময়লা,তেল,ফাঙ্গা এবং ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে। যার ফলে মাথার ত্বক থাকে পরিষ্কার খুশকি কমে যায় এবং নতুন চুল গজানোর পরিবেশ তৈরি হয়।
  • প্রাকৃতিক এন্টি অক্সিডেন্টঃ ত্রিফলাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি থাকে। বিশেষ করে ত্রিফলের তিনটি ফলের মধ্যে আমলকিতে। এই উপাদানটি মাথার ত্বক থেকে ফ্রি রেডিক্যাল দূর করে এবং চুল অকালে পেকে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
  • রাসায়নিক বিহীন প্রাকৃতিক ওষুধঃ বাজারে অনেক হেয়ার অয়েলে কেমিক্যাল থাকে যা ব্যাবহারের ফলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি সাধন করতে পারে। এক্ষেত্রে ত্রিফলা সম্পূর্ণ ভেষজ, তাই এটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে।
  • চুলের প্রাকৃতিক রং ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ঃ ত্রিফলায় থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট চুলের কোষকে ক্ষতি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। তাই ত্রিফলা নিয়মিত ব্যবহারে চুলের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে এবং চুলের কালার থাকে অটুট। 
এছাড়াও ত্রিফলায় রয়েছে পটাশিয়াম আয়রন এই দুই উপাদান চুলের গোড়াকে মজবুত রাখতে সাহায্য করে। ত্রিফলার নিয়মিত ব্যবহারে খুশকি ও রুক্ষতাকে দূর করে চুল হয় ঝলমলে উজ্জ্বল।

চুলের যত্নে কেন ত্রিফলা ব্যবহার করবেন

পূর্বেই বলেছি ,চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রয়োজন বাড়তি সঠিক যত্ন। আর সেই যত্নের সবকিছুই  লুকিয়ে আছে কিছু ভেষজ উপাদানের ভিতর। আর সেই ভেষজ উপাদানের একটি হচ্ছে ত্রিফলা। এই  ত্রিফলার ব্যবহার সম্পর্কে বলা হয়েছে প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে। এই  শাস্ত্রে উল্লেখিত নিয়মে যদি চুলের  আপনার চুলের যত্ন নিতে পারেন। তবে চুলের যেকোনো ধরনের সমস্যা আপনার ধারে কাছে আসতে পারবে না। এই আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেই বলে দেওয়া হয়েছে চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহার করতে।

প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলাকে শুধু ওষুধ হিসাবেই উল্লেখ করা হয় নাই বরং চুলের যত্নে ত্রিফলাকে একটি কার্যকর প্রাকৃতিক হেয়ার টনিক হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ত্রিফলাকে চুলের যত্নে একটি হেয়ার টনিক এই কারণেই বলা হয়েছে যে এতে এমন কিছু পুষ্টিগুণ ও ভেষজ উপাদান রয়েছে যা চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পুষ্টি যোগায় এবং মাথার ত্বকের উন্নতি ঘটায়। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গোড়াকে করে মজবুত।

ত্রিফলা তৈরি নিয়ম বা অনুপাত 

ত্রিফলা হচ্ছে একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত জনপ্রিয় আয়ুর্বেদিক ভেষজ মিশ্রণ। যার অর্থ তিনটি ফল। এখানে ত্রি অর্থ তিন এবং ফলা অর্থ ফল। এটি তৈরি হয় তিনটি ওষুধি ফলকে শুকিয়ে একসাথে গুড়া করে মিশিয়ে। এ তিনটি ফল হচ্ছে আমলকি হরিতকি এবং বয়েড়া। আর তিন উপকরণ মিলেই তৈরি করা হয় ত্রিফলা, যার নিয়মিত ব্যবহারে চুলের সুস্বাস্থ্য হয় দীর্ঘস্থায়ী ও দেখার মতো।

ত্রিফলা তৈরি করার জন্য আমলকি হরিতকি এবং বহেড়া ফল সমপরিমাণে বা সমান পরিমাণ নিয়ে শুকাতে হবে। এরপর শুকনো তিনটি ফলকে গুড়া করে একসাথে মেশাতে হবে। এছাড়াও ত্রিফলা তৈরীর অনুপাত যদি বলতে হয় তবে এক ভাগ হরিতকী দুইভাগ বহেড়া এবং চার ভাগ আমলকি নিতে হবে।

চুলের যত্নে ত্রিফলার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম 

চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা পাওয়ার জন্য ত্রিফলা ব্যবহারের  কিছু নিয়ম রয়েছে। নিচের নিয়মগুলো যথাযথ ভাবে মেনে ত্রিফলা ব্যবহার করলে খুব দ্রুত ভালো ফলাফল পাবেন। 
  • ত্রিফলার গুঁড়া ও মেহেদির গুঁড়া একসাথে মিশিয়ে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর মিশ্রণটি চুলে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • আপনার ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য এবং চুলের পরিমাণ বাড়াতে ত্রিফলার গুড়া এবং নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন।
  • তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে লাগান।
  • ৫ থেকে ১০ মিনিট হালকা হাতে মালিশ করুন।
  • এক থেকে দুই ঘন্টা আবার সারারাত রেখে পরের দিন হারবাল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
দীর্ঘস্থায়ী এবং সর্বোত্তম ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার নিয়মিত ত্রিফলা মিশ্রিত তেল ব্যবহার করুন। 

চুল কেন পুষ্টি হারায় এবং ঝরে পড়ে   

যেসব কারণে আপনার চুল পুষ্টি হারাতে পারে এবং একই সাথে ঝরে পড়তে পারে !
  • শরীরে পুষ্টির ঘাটতিঃ আপনার শরীরে যদি পুষ্টির ঘাটতি থাকে তবে আপনি এই সমস্যায় পড়তে পারেন। চুলের মূল শক্তি আসে প্রোটিন,আয়রন,জিংক,বায়োটিন ও ভিটামিন থেকে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যদি এই পুষ্টি উপাদান গুলো কম থাকে তাহলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায় ফলাফল হিসাবে আপনার চুল হয়ে যায় রুক্ষ ভেঙে যায় এবং ঝরে পড়ে।
  • ধূলো বালি কারণেঃ ধুলোবালির দূষণ মাথার ত্বকে জমে গিয়ে হেয়ার ফলিকল বন্ধ করে দেয়। তখন মাথার ত্বক ঠিকভাবে শ্বাস নিতে পারে না,যার কারনে চুল হয়ে যায় দুর্বল এবং ঝরে পড়তে শুরু করে।
  • মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাবঃ অতিরিক্ত চাপ বা টেনশন শরীরের হরমোনের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়। আবার ঘুম ঠিকঠাক না হলে চুল পুষ্টি শোষণ করতে পারে না এর প্রভাব পড়ে হেয়ার ফলিকলে এর ফলে চুলের বৃদ্ধি হয় ধীরগতি এবং চুল পরা বেড়ে যায়।
  • রক্ত সঞ্চালনের সমস্যাঃ মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন যদি ঠিকঠাক মত না হয় তবে চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছায় না। যার ফলে চুল ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে যায় এবং ঝরে পড়ে।
  • ত্বকের সংক্রমন বা খুশকিঃ খুশকি বা ত্বকের প্রদাহ চুলের গোড়াকে দুর্বল করে দেয়। এর কারণে গোড়া থেকে চুল ঝরে যাওয়া শুরু হয়।

ত্রিফলার তেল তৈরির পদ্ধতি 

চুলের যত্নে ত্রিফলার ব্যবহার করার জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো অনুসরন করে আপনাকে প্রথমে তেল বানিয়ে নিতে হবে। নিচে পদ্ধতি আকারে আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা পুরোপুরি পাওয়ার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো যথাযথ ভাবে অনুসরন করতে হবে। নিচের দেখানো পদ্ধতিতে তেল তৈরী করে ব্যবহার করলে আপনি আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন। 

পদ্ধতি নং -১ ঃভিজিয়ে রাখা পদ্ধতি

এই পদ্ধতিতে যেসব উপকরণ প্রয়োজন হবে।
  • দুই টেবিল চামচ ত্রিফলা গুড়া।
  • এক কাপ পরিমাণ নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল। 
  • একটি কাঁচের বোতল। 
তেল তৈরির পদ্ধতিঃ প্রথমে একটি কাঁচের বোতলে ত্রিফলা গুড়া ও তেল একসাথে মিশিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। এরপর বোতলটি রোদে বা ঘরের তাপমাত্রায় সাত থেকে দশ দিন রেখে দিন। প্রতিদিন বোতল ঝাকিয়ে দিন যাতে ত্রিফলার পুষ্টিগুণ তেলের সাথে খুব ভালোভাবে মিশে যায়। নির্দিষ্ট সময় পর পর ছেঁকে পরিষ্কার বোতলে তুলে রাখুন। 

পদ্ধতি নং -২ঃ গরম তেল পদ্ধতি। 

এই পদ্ধতিতে তেল তৈরি করার জন্য যে সকল উপকরণ প্রয়োজন হবে।
  • দুই টেবিল চামচ ত্রিফলা গুড়া।
  • এক কাপ পরিমাণ নারিকেল তেল
  • একটি পাত্র বা কড়াই ।
তেল তৈরির পদ্ধতিঃ প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেলকে ঢেলে চুলায় নিয়ে হালকা গরম করুন। এরপর তেল হালকা গরম হলে তার মধ্যে ত্রিফলা গুড়া দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন। খুব কম আঁচে ৮ থেকে ১০ মিনিট নাড়তে থাকুন এবং খেয়াল রাখবেন তেল যেন না ফুটে অর্থাৎ তেল ফুটতে দিবেন না। এরপর তেল সামান্য বাদামী রঙের হলেই চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলেই পরিষ্কার কাপড় বা ছাঁকনিতে ছেঁকে কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করে রাখুন।

পদ্ধতি নং -৩ঃ তাজা ত্রিফলা সিদ্ধ পদ্ধতি। 

এই পদ্ধতিতে তেল তৈরি করার জন্য যে সকল উপকরণ প্রয়োজন হবে।
  • দুই টেবিল চামচ পরিমাণ কাঁচা ত্রিফলা বাটা।
  • এক কাপ পরিমাণ পানি।
  • এক কাপ পরিমাণ নারকেল তেল বা তিলের তেল।
তেল তৈরির পদ্ধতিঃ চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা পেতে প্রথমে দুই টেবিল চামচ পরিমাণ কাঁচা ত্রিফলা বাটাকে পানিতে ফুটিয়ে নিন। তারপর আধা সিদ্ধ পরিমাণে ফুটিয়ে নামিয়ে নিন খেয়াল রাখবেন যেন এক ধরনের ভেষজ নির্যাস তৈরি হয়। এই অল্প সিদ্ধ ত্রিফলাকে ছেকে তাতে তেল মিশিয়ে কম আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না পানি শুকিয়ে শুধু তেল থাকে। এবার তেল ঠান্ডা হলে ছেঁকে কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন।

যারা ত্রিফলার তেল ব্যবহার করবেন না

কিছু কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে ত্রিফলার ব্যবহার খারাপ বা বিরূপ ফলাফল তৈরি করতে পারে।খারাপ বা ব্যাতিক্রম কোন কিছু দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেসব ক্ষেত্রে খারাপ বা বিরূপ প্রভাব দেখা দিতে পারে তা হচ্ছে -- 
  1.  অ্যালার্জি প্রবণ ব্যক্তিঃ যদি আপনার অতিরিক্ত পরিমানে অ্যালার্জি থাকে তাহলে ত্রিফলার তেল ব্যবহার না করাই ভালো। এছাড়াও ত্রিফলা তেল ব্যবহার করে যদি হালকা চুলকানি,জ্বালা-পোড়া  বা লালচে দাগ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন।
  2. রঙ করা বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করা চুলঃ আপনার চুলে যদি হেয়ার ডাই বা কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করা থাকে তবে ত্রিফলা মিশ্রিত তেল ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ ট্রিটমেন্ট করা চুলে কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে যা ত্রিফলাতে উপস্থিত থাকা টেনিন এর সাথে বিক্রিয়া করে চুলের রং পরিবর্তন করতে পারে। 
এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে , চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা সম্পর্কিত আর্টিকেল বা ব্লগটি কেবলমাত্র সাধারণত তথ্যের জন্য। এটি কোন ওষুধ বা চিকিৎসার অঙ্গ নয়। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তথ্য ব্যবহার জনিত কোন ক্ষতির জন্য লেখক বা ওয়েবসাইট দায়ী নয়।

লেখকের শেষ কথাঃ

চুলের যত্নে ত্রিফলা ব্যবহারের সুবিধা সম্পর্কিত ব্লগ পোস্টে বেশ কয়েকটি পদ্ধতি আপনাদের সামনে উল্লেখ করেছি। এগুলোর মধ্য গরম তেল পদ্ধতিটি আপনাদের কাছে সহজ হবে বলে মনে করি আপনারা অবশ্যয় আপনাদের সুবিধামত একটি সহজ পদ্ধতি বেছে নিবেন কারণ কঠিন পদ্ধতি বেছে নিয়ে যদি আপনারা দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে না পারেন তবে আপনারা ভালো ফলাফল পাবেন না।তাই আমি আপনাদের পরামর্শ দিব সর্বোত্তম ফলাফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন এবং কয়েক মাস একটানা ব্যবহার করবেন।

আমার আজকের এ আর্টিকেলটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লাগে এবং আমার লেখার দ্বারা উপকৃত হন তবে, আমার পরিশ্রম সার্থক বলে আমি মনে করি। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমার আর্টিকেলটি আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব দের সাথে শেয়ার করবেন।  






এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগ টু বাজারের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Abu Saleh
Md. Abu Saleh
আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট আমি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করি।